ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

আপনি কি ভৈরব বাজার থেকে নোয়াখালী যাত্রার জন্য ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচী খুঁজছেন? নোয়াখালীর সুন্দর উপকূলীয় এলাকায় পৌঁছানোর সহজতম উপায় হলো রেলপথ। এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচীর পাশাপাশি ট্রেনের নাম, ছুটির দিন, ছাড়ার এবং পৌঁছানোর সময়সূচী। এছাড়াও, বিভিন্ন আসন বিভাগের টিকিটের মূল্য তালিকা, টিকিট বুকিংয়ের টিপস এবং যাত্রার সুবিধা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করবো। এই তথ্যগুলো আপনার যাত্রা পরিকল্পনাকে আরও সহজ করে তুলবে, বিশেষ করে যারা প্রথমবার এই রুটে ভ্রমণ করছেন। চলুন, শুরু করি!

ভৈরব বাজার থেকে নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচী

ভৈরব বাজার স্টেশন থেকে নোয়াখালী রুটে মূলত দুটি প্রধান এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে: উপকূল এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭১২) এবং নোয়াখালী এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ১২০)। এই ট্রেনগুলো যাত্রীদের জন্য নির্ভরযোগ্য এবং সময়মতো সেবা প্রদান করে। নিচে ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচীর বিস্তারিত টেবিল দেওয়া হলো, যা ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। মনে রাখবেন, আবহাওয়া বা অন্যান্য কারণে সময়সূচীতে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে, তাই যাত্রার আগে অফিসিয়াল অ্যাপ বা সাইট চেক করুন।

ট্রেনের নাম ছুটির দিন ছাড়ার সময় (ভৈরব বাজার থেকে) পৌঁছানোর সময় (নোয়াখালী স্টেশনে)
উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) মঙ্গলবার ১৭:০০ ২১:২০
নোয়াখালী এক্সপ্রেস (১২০) প্রতিদিন ০০:০৮ ০৫:৫০

এই ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচী অনুসারে, রাতের যাত্রার জন্য নোয়াখালী এক্সপ্রেস আদর্শ, যা প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪২ মিনিট সময় নেয়। অন্যদিকে, দিনের যাত্রার জন্য উপকূল এক্সপ্রেস উপযুক্ত, যা মাত্র ৪ ঘণ্টা ২০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছে। এই রুটে যাত্রা করলে আপনি মেঘনা নদী এবং সবুজ মাঠের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।

ভৈরব বাজার টু নোয়াখালী ট্রেনের ভাড়া তালিকা

টিকিটের মূল্য নির্ধারিত হয় আসনের ধরনের উপর ভিত্তি করে। উপকূল এক্সপ্রেস এবং নোয়াখালী এক্সপ্রেস উভয় ট্রেনেই একই ভাড়া প্রযোজ্য। নিচের টেবিলে ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচীর সাথে যুক্ত ভাড়ার বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো (২০২৫ সালের হিসাবে, ভ্যাটসহ)। এই মূল্যগুলো বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল রেটের ভিত্তিতে নির্ধারিত।

আসন বিভাগ টিকেটের মূল্য (টাকা)
শোভন ১৬০
শোভন চেয়ার ১৯৫
প্রথম আসন ২৫৫
প্রথম বার্থ ৩৮৫
স্নিগ্ধা ৩৬৮
এসি ৪৪৩
এসি বার্থ ৬৬২

বাজেট-সচেতন যাত্রীদের জন্য শোভন ক্লাস আদর্শ, যখন আরামপ্রিয় যাত্রার জন্য এসি বার্থ বেছে নিন। টিকিট অনলাইনে railway.gov.bd বা মোবাইল অ্যাপ থেকে বুক করলে সুবিধা পাবেন এবং কালোবাজারি এড়াতে পারবেন।

যাত্রার টিপস এবং সতর্কতা

ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচী অনুসরণ করার সময়, স্টেশনে ৩০ মিনিট আগে পৌঁছে যান। নোয়াখালী স্টেশন থেকে শহরের অন্যান্য অংশে রিকশা বা অটোরিকশা সহজলভ্য। যাত্রার সময় খাবারের জন্য ট্রেনের প্যান্ট্রিতে নির্ভর করুন বা নিজের খাবার নিয়ে যান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রেলওয়ে সেবা উন্নত হয়েছে, তাই যাত্রা আরও নিরাপদ এবং আরামদায়ক হয়েছে।

শেষ কথা

ভৈরব টু নোয়াখালী ট্রেনের সময়সূচী এবং ভাড়ার এই বিস্তারিত গাইড আপনার যাত্রাকে সহজ করে তুলুক। নোয়াখালীর সমুদ্রতীর এবং সাংস্কৃতিক সম্পদ উপভোগ করুন, কিন্তু সর্বদা অফিসিয়াল সোর্স থেকে সর্বশেষ আপডেট চেক করুন। নিরাপদ যাত্রা কামনা করি! যদি আরও কোনো প্রশ্ন থাকে, কমেন্টে জানান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top